![]() |
| ছবিটি মেঘালয়ে তোলা |
আচ্ছা কোথায় যাওয়া যায় বলুন তো, সিকিম না দার্জিলিং ?
- আরে দার্জিলিং তো পুরো ঘিঞ্জি, সিকিমে যাবেন পুরো বিদেশ ।
আচ্ছা দার্জিলিঙে ঝর্না আছে?
- দার্জিলিঙে ঝর্নাটা নেই, সিকিম গেলে রাস্তাতে অনেক গুলো ঝর্না পাবেন। আমি তো থাকতাম দার্জিলিং, ২২ দিন ছিলাম আর নেপালিটাও ভাল বলতে পারি........
ওম্মা! তাই নাকি? (বরের দিকে তাকিয়ে) শোনো না, দাদার কাছ থেকে তাহলে হোটেল টোটেল গুলো জেনে নাও না।
-হোটেল । আপনারা “ " হোটেলে থাকবেন, পুরো বাঙালি হোটেল, ম্যানেজার বাঙালি, কোনও অসুবিধে হবে না। আর সবথেকে ভাল কি বলুন তো বৌদি? একদম সহজ খাবার পাবেন, ভাত, ডাল, আলু ভাজা, মাছ ভাজা যা চাইবেন।
আমরা পুরীতে গিয়েও জানেন তো এইরকম বাঙালি হোটেলে ছিলাম, কি সস্তা আর একদম সমুদ্রের সামনে, হেটে গেলে ১৫ মিনিট, আমরা সকাল বেলা হলেই সমুদ্র চলে যেতাম আপনার দাদা তেল মেখে গামছা নিয়ে স্নান করে নিত, দুপুর বেলা ফিরে এসে একদম বাড়ির মতো খাওয়ার। বিকেলে আবার সমুদ্র তীরে চা নিয়ে বেঞ্চিতে বসে যেতাম, কি ভালোই যে লাগত.....
-আমরাও তো অনেকবার গেছি, তবে কি বলুন তো পাহাড়ের মজাটাই আলাদা। আপনাদের একটা জায়গা বলে দিব ওখান থেকে পুরো ২৭০ ডিগ্রি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়
দার্জিলিং এর জল নাকি খুব ভাল?
- দারুন, আমি তো ২২ দিন ছিলাম ঐ জল খেয়ে আমার গ্যাস, পেটে ব্যাথা, ব্লাড প্রেসার, ব্লাড সুগার সব সেরে গেছে।
ওম্মা, তাহলে তো খেতেই হবে
- তবে কি বলুন তো বউদি! জিওলিন দিয়ে খাবেন, পাহাড়ি জল তো, পাহাড়ি ব্যাক্টেরিয়া থাকতে পারে।
সেকি তাহলে মামন খাবে কি, তাহলে কি এখান থেকে জল কিনে নিয়ে যাব? আপনি যে খেতেন?
ওই যে বললাম, জিওলিন দিয়ে খাবেন, আর আমরা তো ঝরনার ডিরেক্ট জল নিয়ে খেতাম।
(মহিলার স্বামী বেশ গম্ভীর হয়ে বললেন ওখানেও বিসলেরি পাওয়া যায়)
শুনছ তাহলে এবার গরমের ছুটিতে দার্জিলিং টায় ঘুরে আসি বুঝলে.......
- অভিষেক বোস
বাকী কথা : দীপু দা গল্পের নাম নয় । দীঘা, পুরী, দার্জিলিং এর ইনিশিয়াল ।

No comments:
Post a Comment