নিয়তি কি গো?
ধুৎ, বিরক্ত করিসনা, অনেকটা রাস্তা পারি দিতে হবে ।
বল না, বাবা বলল এরপর আর হয়তো দেখা হবে না!
জিজ্ঞেস করলাম কেন?
বলল নিয়তি ।
মেজকা একটু চুপ করে আবার পায়চারি শুরু করল ।
খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে পুচকে টা কে আদর করে বলল শোন, যদি দেখিস কেউ আমাদের আটকে রেখেছে, আশপাশে আসবি না, আর যদি ধরা পড়ে যাস তবে ছটপট করবি, তোর মতো বাচ্চাদের ওরা আটকে রাখে না ।
এত বিপদ! তবে যাওয়ার কি প্রয়োজন ?
আমাদের যে জন্মই হয়েছে দূরে পাড়ি দেওযার জন্য, এটাই নিয়ম ।
সারা বছর লুকিয়ে থাকলেও, ভরা চাঁদের রাতে যখন পুবালি হাওয়া বইতে শুরু করবে তখন সব মায়া কাটিয়ে আমাদের বেরিয়ে পড়তে হবে, আজ অব্দি কেউ এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি ।
ভোর বেলা সত্যি হাওয়া বইতে শুরু করল, মা এসে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলল, চল এবার বেরিয়ে পড়ি । পথে যেতে যেতে পুঁচকে টা বুঝতে পারছিল নোনা হাওয়া ফিকে হয়ে মিষ্টি হাওয়া গায়ে এসে লাগছে, ঘোর বর্ষায় জল ছপছপ্ করতে করতে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখল কি সুন্দর গোলপানা চাঁদ । বাবাকে আর সত্যি দেখা যাচ্ছে না!
মা, বাবা কি অনেকটা এগিয়ে গেছে!!
নির্বিকার মুখে মা উত্তর করল, মন দিয়ে শোন আমিও হয়তো আর বেশিক্ষণ নেই, সামনেই
কোথাও ওরা অপেক্ষা করে আছে, সাবধানে থাকিস, মন খারাপ করিস না, তোকে দেখতে পেলেও ওরা ছেড়ে দেবে, থামবি না এগিয়ে চলবি, উল্টো দিক থেকে যত বাধায় আসুক, এগিয়ে যেতেই হবে, ফেরার সময় আর কোনও বিপদ নেই ।
মা, তুমিও আমার সাথে চল ।
মা র চোখ ছলছল করে উঠল ।
গলা বুজে আসছিল, তাও কষ্ট করে বলল কথা দে পরের বছর আবার যখন পূবালি হাওয়া বইতে শুরু করবে তখন তুই আবার এই পথেই আমাদের খুঁজতে বেরোবি ।
আমি আসব মা .... কিন্তু তুমি...
কথাটা শেষ হওয়ার আগেই কারা যেন মাকে তুলে নিয়ে গেল ।
পুঁচকে টা ভয়ে কাঠ হয়েছিল, কারা যেন বলাবলি করছে “এতক্ষণে দেড় কিলো সাইজের মাছ উঠেছে, এগুলো কে আলাদা করে রাখ, এইসব ইলিশেরই তো দাম পাওয়া যাবে বাজারে ".............
- অভিষেক বোস
ধুৎ, বিরক্ত করিসনা, অনেকটা রাস্তা পারি দিতে হবে ।
বল না, বাবা বলল এরপর আর হয়তো দেখা হবে না!
জিজ্ঞেস করলাম কেন?
বলল নিয়তি ।
মেজকা একটু চুপ করে আবার পায়চারি শুরু করল ।
খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে পুচকে টা কে আদর করে বলল শোন, যদি দেখিস কেউ আমাদের আটকে রেখেছে, আশপাশে আসবি না, আর যদি ধরা পড়ে যাস তবে ছটপট করবি, তোর মতো বাচ্চাদের ওরা আটকে রাখে না ।
এত বিপদ! তবে যাওয়ার কি প্রয়োজন ?
আমাদের যে জন্মই হয়েছে দূরে পাড়ি দেওযার জন্য, এটাই নিয়ম ।
সারা বছর লুকিয়ে থাকলেও, ভরা চাঁদের রাতে যখন পুবালি হাওয়া বইতে শুরু করবে তখন সব মায়া কাটিয়ে আমাদের বেরিয়ে পড়তে হবে, আজ অব্দি কেউ এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি ।
ভোর বেলা সত্যি হাওয়া বইতে শুরু করল, মা এসে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলল, চল এবার বেরিয়ে পড়ি । পথে যেতে যেতে পুঁচকে টা বুঝতে পারছিল নোনা হাওয়া ফিকে হয়ে মিষ্টি হাওয়া গায়ে এসে লাগছে, ঘোর বর্ষায় জল ছপছপ্ করতে করতে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখল কি সুন্দর গোলপানা চাঁদ । বাবাকে আর সত্যি দেখা যাচ্ছে না!
মা, বাবা কি অনেকটা এগিয়ে গেছে!!
নির্বিকার মুখে মা উত্তর করল, মন দিয়ে শোন আমিও হয়তো আর বেশিক্ষণ নেই, সামনেই
কোথাও ওরা অপেক্ষা করে আছে, সাবধানে থাকিস, মন খারাপ করিস না, তোকে দেখতে পেলেও ওরা ছেড়ে দেবে, থামবি না এগিয়ে চলবি, উল্টো দিক থেকে যত বাধায় আসুক, এগিয়ে যেতেই হবে, ফেরার সময় আর কোনও বিপদ নেই ।
মা, তুমিও আমার সাথে চল ।
মা র চোখ ছলছল করে উঠল ।
গলা বুজে আসছিল, তাও কষ্ট করে বলল কথা দে পরের বছর আবার যখন পূবালি হাওয়া বইতে শুরু করবে তখন তুই আবার এই পথেই আমাদের খুঁজতে বেরোবি ।
আমি আসব মা .... কিন্তু তুমি...
কথাটা শেষ হওয়ার আগেই কারা যেন মাকে তুলে নিয়ে গেল ।
পুঁচকে টা ভয়ে কাঠ হয়েছিল, কারা যেন বলাবলি করছে “এতক্ষণে দেড় কিলো সাইজের মাছ উঠেছে, এগুলো কে আলাদা করে রাখ, এইসব ইলিশেরই তো দাম পাওয়া যাবে বাজারে ".............
- অভিষেক বোস

No comments:
Post a Comment