শীতকালের দুপুর , কমলা লেবু খেতে খেতে সিনেমা দেখার জন্য আদর্শ , সাথে থাকবে একটা নরম লেপ ( না , কম্বল নয় , এক্কেবারে নয়)
কেন নয় ?
কেননা বাটার যতই ভালো হোক , খিচুরির যোগ্য নয় ৷ খিচুরির সাথে ঘি হল গিয়ে রাজযোটক ।
খিচুরি কোথা থেকে এল ?
একদম প্রথম থেকে ৷ গল্পটাতো আসলে খিচুরির , শীত বর্ষা তো নিমিত্ত মাত্র ।
খিচুরির বহু অবতার
বর্ষাকালে মুসুর ডাল ,পেয়াজ সম্বর দেওয়া কাঁচালঙ্কা চিরে রোমান্টিক অবতার
কালি পুজো শেষে উপোসী পেটের জ্বালা প্রশমনে ঢ্যালঢেলে অবতার ।
শীতকালে ফুলকপির পকোড়া সহযোগে টমেটো, কড়াইশুটি সজ্জিত, আলুরদমে মাখো মাখো অবতার।
সরস্বতী পুজোয় কাজু কিসমিস শোভিত ভুনি খিচুরি অবতার ।
মোদ্দা কথা হল খিচুরি আমি যে কোনো সময় খেতে পারি । বৈশাখের দুপুরে অথবা রেস্টুরেন্টে ডিনারে ।
খিচুরি রাঁধা যার তার কম্মো নয়, শুধু চালে ডালে ফুটিয়ে নিয়ে, নামকরণের সার্থকতা হতে পারে, উদরীকরনের যৌক্তিকতা নেই ।
একটা যথার্থ খিচুরির প্লেট, বিরিয়ানির থেকে কোনও অংশে কম যায় না, বাসন্তী রঙ, রাজকীয় ভাবে ল্যাদ খেয়ে থাকা রক্তিম টমেটো, কোমরে হাত দিয়ে দাড়িয়ে থাকা আধা আলু, কচি কাঁচা বাচ্চাদের মত ছুটে বেড়ান কড়াইশুটির দল, আপনভোলা ফুলকপি, রাগী লঙ্কা আর বেপরোয়া গাওয়া ঘি, যেদিক সেদিক ছুটে বেড়ায় । এরপরে যখন কড়াই থেকে সদ্য উঠে আসা বেগুনি, হাঁসের ডিমের মামলেট (ওমলেট নয় ) এর হাতে হাত ধরে দাঁড়ায়..................
অভিষেক বোস

No comments:
Post a Comment