দূর্গাপুজোর যে বাজী, পটকাগুলো বেঁচে থাকত সেগুলো লক্ষী পুজোয় ফাটানোর একটা চেষ্টা চালাতাম, কিন্তু প্রথম পটকাটা ফাটানোর সাথে সাথেই বড়রা খেঁকিয়ে উঠত ' লক্ষীপুজোয় বাজি পোড়াতে নেই , এত শব্দ হলে মা লক্ষ্মী ঘরে আসবে না ৷' পরদিন থেকে স্কুল না খুললেও টিউশন চালু হয়ে যেত ৷ এরপরেই আসবে কালীপুজো আর কালীপুজোর আগের দিন হল ভুত চতুর্দশী ৷ নামটা শুনলেই একটা ভয় ভয় পেত ৷ তবে ঐ রাতেই ১৪ প্রদীপ জ্বালিয়ে কালীপূজোর মহড়া শুরু হয়ে যেত ৷ মোটামুটি দু'দিন আগে থাকতেই সব বারুদ মজুত করে নিতাম... তুবড়ি, চড়কি , লঙ্কাপটকা (ধানি পটকা) ৷ চকোলেট বোম ফাটানোর লাইসেন্স তখনও পাইনি ৷ তবে নাগিন লঙ্কা পটকাই বা কম কিসে ? মা কালীর দিব্যি হচ্ছে সত্যির সবথেকে বড় সার্টিফিকেট ( সেল্ফ অ্যাটেস্টেড ) সেই সার্টিফিকেটের কসম ,হাতে নিয়ে লঙ্কাপটকা জ্বালিয়ে ঠিক ফাটার অাগের মূহুর্তে ছুড়ে দেওয়ার যে অনুভূতি , তার সাথে আর কিছুর তুলনা চলে না ৷ শিল্পীর দক্ষতা চাই , অনেক আগে ফেলে দিলে তুমি ভীতু আর সময় মতো না ফেলতে পারলে চিত্তির ৷ আর যে পটকাগুলো ছুড়ে ফেলার পরেও ফাটত না সেগুলো তদন্ত করতে রীতিমতো বোম্ব স্কোয়াডের কর্মীদের দক্ষতা প্রয়োজন ৷ আর রকেট ছাড়ার জন্য চাই একটা বোতল , অন্তত চারটে বছর রকেট চালানোর অভিজ্ঞতা আর খান পাঁচেক লোকের সরে আয় , সরে আয় চিৎকার ৷
তবে শুধু বোমাবাজি নয় , পাটকাঠি জ্বালানোটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল , সবাই পাটকাঠি জ্বালিয়ে রাখতে পারতনা একটু পরেই নিভে যেত , আরে ভাই অ্যাঙ্গেলটা বুঝতে হবে তো !
দু'একবার ফানুশ বানানোর চেষ্টা করলাম , মানুষের যেমন মান আর হুশ , তেমনি ফানুশের ফান আর হুশ ৷ আমার তৈরী ফানুশে বানানোর ফান থাকলেও হুশ করে উড়ে যাওয়ার প্রযুক্তি ছিল না কিম্বা হয়তো মাটির টান ছিল , তাই মাটিতেই খেল খতম হয়ে যেত ৷ তবে আকাশপ্রদীপটা কিন্তু হেব্বি বানাতাম আর এক্কেবারে ছাদের উপরে টাঙ্গিয়ে আসতাম , অমাবস্যার অন্ধকারে দূর থেকে লাল, নীল, সবুজ সেলোফেনে মোড়া আকাশপ্রদীপ দেখতে মায়াবী লাগত ৷
মোমবাতি জ্বালানোতে আমার বিশেষ উৎসাহ ছিল না , আমি বরং টুনি লাগাতে গিয়ে ভুল ভাল তার লাগিয়ে বাড়ির ফিউস্ ওড়াতে বেশি দক্ষ ছিলাম ৷
এখন এতদিন পরে কালীপুজো হয়ে গেছে দিওয়ালি , আর ছুটিটা মিলে পুজোর পরের দিন (পুজো তো রাতে , দিওয়ালি পরের দিন) , তবে কালীপুজোর রাতে সেই যে প্রথম রাত জাগার লাইসেন্স পেয়েছিলাম , মা কালীর দিব্যি আজও রাত জেগে চলেছি ৷
- অভিষেক বোস
তবে শুধু বোমাবাজি নয় , পাটকাঠি জ্বালানোটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল , সবাই পাটকাঠি জ্বালিয়ে রাখতে পারতনা একটু পরেই নিভে যেত , আরে ভাই অ্যাঙ্গেলটা বুঝতে হবে তো !
দু'একবার ফানুশ বানানোর চেষ্টা করলাম , মানুষের যেমন মান আর হুশ , তেমনি ফানুশের ফান আর হুশ ৷ আমার তৈরী ফানুশে বানানোর ফান থাকলেও হুশ করে উড়ে যাওয়ার প্রযুক্তি ছিল না কিম্বা হয়তো মাটির টান ছিল , তাই মাটিতেই খেল খতম হয়ে যেত ৷ তবে আকাশপ্রদীপটা কিন্তু হেব্বি বানাতাম আর এক্কেবারে ছাদের উপরে টাঙ্গিয়ে আসতাম , অমাবস্যার অন্ধকারে দূর থেকে লাল, নীল, সবুজ সেলোফেনে মোড়া আকাশপ্রদীপ দেখতে মায়াবী লাগত ৷
মোমবাতি জ্বালানোতে আমার বিশেষ উৎসাহ ছিল না , আমি বরং টুনি লাগাতে গিয়ে ভুল ভাল তার লাগিয়ে বাড়ির ফিউস্ ওড়াতে বেশি দক্ষ ছিলাম ৷
এখন এতদিন পরে কালীপুজো হয়ে গেছে দিওয়ালি , আর ছুটিটা মিলে পুজোর পরের দিন (পুজো তো রাতে , দিওয়ালি পরের দিন) , তবে কালীপুজোর রাতে সেই যে প্রথম রাত জাগার লাইসেন্স পেয়েছিলাম , মা কালীর দিব্যি আজও রাত জেগে চলেছি ৷
- অভিষেক বোস

বাহ কি সাবলীল লেখা
ReplyDeleteআপ্লুত
ReplyDeleteIt brought 1000watt smile on my face... Relived memories
ReplyDeleteসেই পুরনো দিন গুলো আবার দেখলাম যেন। খুব ভালো।
ReplyDeleteসেই পুরনো দিন গুলো আবার দেখলাম যেন। খুব ভালো।
ReplyDeleteThanks a ton Ambbali :)
ReplyDeleteঅসাধারণ অসামান্য অদ্ভূত ❤️
ReplyDeleteAnd one of my favs!
ReplyDelete